জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে
মৃতের সংখ্যা
দুই হাজারের বেশি ছাড়িয়ে গেছে: ভারত
বিশ্বে
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে তীব্রভাবেই। বিজ্ঞানীরা
বহুদিন ধরেই জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে সতর্ক করে দিচ্ছেন। এমনকি মার্কিন
প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাও জলবায়ু পরিবর্তনকে বিশ্বের এক নম্বর ঝুঁকিপূর্ণ
বলে উল্লেখ করেছিলেন, এমনকি আইএসের চেয়েও। এই আশঙ্কা যে সত্যি তার প্রমাণ
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া এবং ভারতের কয়েকটি রাজ্যে তাপমাত্রা বৃদ্ধি।
প্রভাবটা এ বছর ভারতেই বেশি দেখা গেল। গত এক সপ্তাহের বেশি সময়ে খরায়
মৃতের সংখ্যা দুই হাজারের বেশি ছাড়িয়ে গেছে। সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছে খেটে
খাওয়া মানুষ।
যুক্তরাষ্ট্রের
রুটগার্স ইউনিভার্সিটির জলবায়ু বিজ্ঞানী জেনিফার ফ্রান্সিস সতর্ক করে
বলেছেন, মে মাসে চরম আবহাওয়া বিরাজ করবে। এরপর মুষলধারে বৃষ্টি এবং আঘাত
হানতে পারে এল নিনো। তিনি জানান, প্রত্যেক ডিগ্রি সেলসিয়াসের কারণে বাতাসে
তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। এর ফলে ৭ শতাংশ আর্দ্রতা ধরে রাখতে পারে। বিজ্ঞানীরা
সতর্ক করছেন, যখন বৃষ্টি নামতে থাকবে তখন গত ২০/৩০ বছরের আগের চেয়ে বেশি
হবে। টেক্সাসে বন্যা এবং ভারতের তাপমাত্রা বৃদ্ধি দেখিয়ে দিয়েছে যে যেটা হয়
সেটা খুবই চরমভাবে হয়। ১৯০০ সালের পর এই ঘটনা পঞ্চমবারের মতো ঘটলো।
ভারত
সরকার তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে খাপ-খাইয়ে নিতে গণহারে শিক্ষা কর্মসূচি
চালু করেছে। মানুষকে অতিপ্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে যেতে নিষেধ করা হচ্ছে।
এজন্য গণমাধ্যমসহ লিফলেট বিলির মাধ্যমে ব্যাপক সচেতনতামূলক কার্যক্রম
চালানো হচ্ছে। ভারতে এমনিতেই প্রতি বছর তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে শত শত গরীব
মানুষ মারা যান। কিন্তু এই বছর ভারতের আন্তর্জাতিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
তথ্যকেন্দ্র ইএম-ডিএটি এর তথ্যানুসারে, ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো এমন
মৃত্যুর ঘটনা ঘটলো। আর বিশ্বে পঞ্চম। ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ
অন্ধ্রপ্রদেশ এবং তেলেঙ্গানায় আঘাতটা অনেক বেশি। ১৯৮০ জনই এই দুই রাজ্যে।
১৭ জন মারা গেছে ওদিশা এবং পূর্ব ভারতে। নয়জন ভারতের অন্যান্য কেন্দ্রে।
১৯৯৮
সালে তাপমাত্রার কারণে মারা গিয়েছিল ২৫৪১জন যা ভারতের ইতিহাসে দ্বিতীয়
সর্বোচ্চ। তেলেঙ্গানায় মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫শ’ জনে। আর
অন্ধ্রপ্রদেশে মারা গেছে প্রায় ১৫শ’। তেলেঙ্গানার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন,
৩০৫ জন মারা গেছে হিট স্ট্রোকে। বাকিরা মারা গেছে ডিহাইড্রেশনে। গত শনিবার
রাজ্য দুটিতে তাপমাত্রা ছিল ৪৫ ডিগ্রি বা ১১৩ ডিগ্রি ফারেনহাইট। নয়াদিল্লি
এবং আরো কয়েকটি রাজ্যে চলতি সপ্তাহে এই তাপমাত্রা অব্যাহত থাকতে পারে বলে
সতর্ক করা হয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে। গত বছরগুলোর তুলনায় এই
তাপমাত্রা ৫ ডিগ্রি বেশি।
আবহাওয়া
অধিদপ্তর জানিয়েছে, এই বর্ষাকালটাও খুব ভাল যাবে না। কারণ এল নিনোর
(জলবায়ুর উষ্ণ পর্যায়) আঘাতে চরম ক্ষতির সম্মুখীন হবেন কৃষকরা। এটা শুনতে
আশ্চর্য মনে হলেও দীর্ঘদিন ধরেই এই বিষয়টি আলোচনায় ছিল এবং বিশেষজ্ঞরা আগে
থেকেই সতর্ক করে আসছিলেন। ২০০৯ সালে এল নিনোর প্রভাবে ভারতের ফসলের ব্যাপক
ক্ষতি সাধিত হয়েছিল যা চার দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ ছিল। তবে জাপানের আবহাওয়া
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এবার কেবল ভারতেরই নয়, পুরো এশিয়া জুড়েই ফসলের বড়
ধরনের ক্ষতি হতে পারে। এর ফলে বিশ্বে খাদ্যদ্রব্যের মূল্য বেড়ে যাবে। এশিয়া
এবং পূর্ব আফ্রিকায় প্রচুর বৃষ্টিপাত হতে পারে এবং দক্ষিণ আমেরিকায় বন্যা
দেখা দিতে পারে। জাপানের আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, এ বছর এল নিনো বসন্তকালে
এসেছে এবং সেটা হেমন্ত পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। এল নিনোর প্রভাবে এশীয়
প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের ফসল ক্ষতির সম্মুখীন হবে।
কিছু দেশে বিশেষ করে ভারতে এর নেতিবাচক প্রভাব দ্বিগুণ হবে।
চলতি
বছর অনেক কৃষক ইতোমধ্যে আত্মহত্যা করেছেন। কারণ যে সময় বৃষ্টি হওয়ার কথা
নয় সেই সময়ে বৃষ্টি হয়েছে। আর এতে তাদের ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। ঋণের বোঝা
মাথায় নিয়ে বেঁচে থাকার চেয়ে মৃত্যুকেই তারা শ্রেয় মনে করেছেন। বর্ষাকাল
ভারতের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এখানে বৃষ্টির ওপর নির্ভর হয়ে পড়ে ফসলের
উত্পাদন। ভারতের অর্থনীতির ১৪ শতাংশ কৃষিখাত থেকে আসে। আবহাওয়া অধিদপ্তর
জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহে বৃষ্টি হলেও তার পরিমাণ খুবই কম হবে। শতকরা ৭০ ভাগ
এল নিনোর প্রভাব থাকবে। সয়াবিন এবং তুলা চাষ এল নিনোর আক্রমণে ইতোমধ্যেই
পড়েছে। ভারতের মধ্যাঞ্চলে সয়াবিন এবং পশ্চিমাঞ্চল এবং উত্তরাঞ্চলে তুলাচাষ
বেশি হয়। সয়াবিন রপ্তানিতে ভারত শীর্ষ রপ্তানিকারক দেশ। ধানও এল নিনোর
প্রভাবে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ভারতে ফসলের উত্পাদনে আবহাওয়া যে কতটা
গুরুত্বপূর্ণ তার প্রমাণ পাওয়া যায় সম্প্রতি বিবিসি’র এক প্রতিবেদনে।
এ
বছরের ফেব্রুয়ারিতে মহারাষ্ট্রের পঞ্চলেনভর গ্রামের রাম রাও নারায়ণ বিষপান
করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। বৃষ্টিতে চাষ করা তুলা ধ্বংস হয়ে যাবার পর,
মহারাষ্ট্রের এই কৃষক তার জমি থেকে কোনো আয়ের আশা হারিয়ে ফেলেন। এ নিয়ে
টানা তৃতীয় বছর তার জমিতে ফসল হয়নি। প্রথম বছর হয়নি খরার কারণে আর পরের দুই
বছর হয়নি অসময়ে বৃষ্টির কারণে। কৃষিকাজ এবং মেয়ের বিয়ের জন্য প্রায় ৩৫
হাজার ডলারের সমান দেনায় ডুবে ছিলেন তিনি।
ভারতের
অপরাধ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসেবে, গত ২০ বছরে দেশটিতে প্রায় ৩ লাখ কৃষক
আত্মহত্যা করেছেন। অসময়ে বৃষ্টি এবং শিলাবৃষ্টির কারণে গত কয়েক সপ্তাহে
ভারতের বিভিন্ন অংশে অনেক ফসল ধ্বংস হয়েছে। দারিদ্র্র্যপীড়িত কৃষকরা পড়েছেন
আরো হতাশায় এবং তাদের অনেকে নিজেকে ঠেলে দিয়েছেন মৃত্যুর মুখে। রাজ্য
সরকারের হিসাবে, এ বছরের প্রথম চার মাসেই মহারাষ্ট্রের ২৫৭ জন কৃষক
আত্মহত্যা করেছেন। মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরে এর পরের গ্রামের বাসিন্দা,
জানাবারি ঘোদাম সেই ব্যথা এখন টের পাচ্ছেন। তার স্বামী রমেশ ঘোদাম দুই মাস
আগে আত্মহত্যা করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের আকু ওয়েদার ডটকম এর সিনিয়র আবহাওয়া
বিশেষজ্ঞ জ্যাসন নিকোলস জানিয়েছেন, এশিয়ায় এল নিনো মারাত্মক প্রভাব ফেলতে
পারে। প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে এল নিনো যেমন আসতে পারে, তেমনি টাইফুন এবং
সুপার টাইফুনও আঘাত হানতে পারে। নিকোলস বলেন, ভারতের পশ্চিমাঞ্চলে পানির
তাপমাত্রা বেড়ে যেতে পারে। এর ফলে মানুষ পানি সংকটে ভুগবে। আর এর সত্যতা
ইতোমধ্যেই পাওয়া যাচ্ছে ভারতে। ভারতের ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরো
জানিয়েছে, দেশটিতে ২০১৩ থেকে ২০১৪ সালে ৬১ শতাংশ মারা গেছে হিট স্ট্রোকের
কারণে। শরীরের তাপমাত্রা যখন ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইটে
উন্নীত হয় তখনই হিট স্ট্রোকের ঘটনা ঘটে। এটি অনেক সময় মারাত্মক আকার ধারণ
করতে পারে। গত দশ বছরে ভারতে হিট স্ট্রোকে মারা গেছে ৯ হাজার ৭৩৪ জন।
তেলেঙ্গানার খাম্মাম জেলায় গত শনিবার তাপমাত্রা ছিল ৪৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
১৯৪৭ সালে এখানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া বিষয়ক অনলাইন ডট. কো. ডট ইউকে জানিয়েছে, দিল্লিতে অতি বেগুনি
রশ্মিও প্রভাব বাড়তে পারে।
যুক্তরাজ্যের লিডসে স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটি সেন্টারের নেতৃত্ব নিয়ে বাংলাদেশি দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে চারজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। সংগঠনের সাধারণ সভা ও নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গতকাল শনিবার এই সংঘর্ষ হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিরা প্রথম আলোকে জানান, হেয়ারহিলসের রাউন্ডহে রোডে অবস্থিত বাংলাদেশি কমিউনিটি সেন্টারের ১২ জন সদস্যের একটি পরিচালনা পর্ষদ রয়েছে। চেয়ারম্যান আফজল হোসেনের নেতৃত্বে সাতজন এবং সদস্য আবুল আবেদিনের নেতৃত্বে পাঁচজনের ওই পর্ষদ বিভক্ত। শুক্রবার জুমার নামাজে কমিউনিটির সাধারণ সভার ঘোষণা দেওয়া হয়। এ সময় ওই দুই পক্ষের মধ্যে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। শনিবার সাধারণ সভা শুরু হওয়ার আবারও দুই পক্ষের মধ্যে হট্টগোল হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যেই চেয়ার ও লাঠি দিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় কমিউনিটি সেন্টারের দরজা জানালায় ভাঙচুর চালানো হয়। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ে আনে। সভায় দুই শতাধিক ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশি কমিউনিটি সেন্টারের সাধারণ সম্পাদক সেলিম আহমদ জানান, বোর্ড সভায় সিদ্ধান্ত হলেও আবুল আবেদিনের নেতৃত্বে পাঁচ পরিচালক নির্বাচন আয়োজন নিয়ে আপত্তি তোলেন। শুক্রবার জুমার নামাজেও এ নিয়ে তাঁরা হট্টগোল করেন। গতকাল (শনিবার) সভার একপর্যায়ে আবুল আবেদিন ২০-২৫ জন লোক নিয়ে হট্টগোল শুরু করলে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে আবুল আবেদিন পক্ষের কারও সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে আট শতাধিক ব্যক্তি সংগঠনের ভোটার হয়েছেন। এই ভোটার তালিকা নিয়েই বিরোধী পক্ষের আপত্তিতে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়।
নর্থ ইয়র্কশায়ার পুলিশ প্রথম আলোকে জানায়, শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় খবর পেয়ে তারা লীডসের হেয়াহিলসের বাংলাদেশি কমিউনিটি সেন্টারে যায়। ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ছাড়া কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। সেন্টারের আশপাশের সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ। ওই এলাকায় পুলিশের বাড়তি টহলের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের লিডসে-
বাংলাদেশি দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ
যুক্তরাজ্যের লিডসে স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটি সেন্টারের নেতৃত্ব নিয়ে বাংলাদেশি দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে চারজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। সংগঠনের সাধারণ সভা ও নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গতকাল শনিবার এই সংঘর্ষ হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিরা প্রথম আলোকে জানান, হেয়ারহিলসের রাউন্ডহে রোডে অবস্থিত বাংলাদেশি কমিউনিটি সেন্টারের ১২ জন সদস্যের একটি পরিচালনা পর্ষদ রয়েছে। চেয়ারম্যান আফজল হোসেনের নেতৃত্বে সাতজন এবং সদস্য আবুল আবেদিনের নেতৃত্বে পাঁচজনের ওই পর্ষদ বিভক্ত। শুক্রবার জুমার নামাজে কমিউনিটির সাধারণ সভার ঘোষণা দেওয়া হয়। এ সময় ওই দুই পক্ষের মধ্যে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। শনিবার সাধারণ সভা শুরু হওয়ার আবারও দুই পক্ষের মধ্যে হট্টগোল হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যেই চেয়ার ও লাঠি দিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় কমিউনিটি সেন্টারের দরজা জানালায় ভাঙচুর চালানো হয়। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ে আনে। সভায় দুই শতাধিক ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশি কমিউনিটি সেন্টারের সাধারণ সম্পাদক সেলিম আহমদ জানান, বোর্ড সভায় সিদ্ধান্ত হলেও আবুল আবেদিনের নেতৃত্বে পাঁচ পরিচালক নির্বাচন আয়োজন নিয়ে আপত্তি তোলেন। শুক্রবার জুমার নামাজেও এ নিয়ে তাঁরা হট্টগোল করেন। গতকাল (শনিবার) সভার একপর্যায়ে আবুল আবেদিন ২০-২৫ জন লোক নিয়ে হট্টগোল শুরু করলে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে আবুল আবেদিন পক্ষের কারও সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে আট শতাধিক ব্যক্তি সংগঠনের ভোটার হয়েছেন। এই ভোটার তালিকা নিয়েই বিরোধী পক্ষের আপত্তিতে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়।
নর্থ ইয়র্কশায়ার পুলিশ প্রথম আলোকে জানায়, শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় খবর পেয়ে তারা লীডসের হেয়াহিলসের বাংলাদেশি কমিউনিটি সেন্টারে যায়। ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ছাড়া কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। সেন্টারের আশপাশের সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ। ওই এলাকায় পুলিশের বাড়তি টহলের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
No comments:
Post a Comment